, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 28° সে. | 💧 আদ্রতা 89%

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় তিন কোটি টাকা মূল্যের ফেব্রিক্সভর্তি একটি ৪০ ফুট লম্বা কনটেইনারের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। কনটেইনারটিতে ৬৬৮ বেল কাপড় ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের কাঁচামাল হিসেবে আনা এই চালানটি নির্ধারিত সময়ে খালাস করতে না পারায় বিপাকে পড়েছে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ‘এমভি এমসিসি ডানাং’ জাহাজে করে কনটেইনারটি গত ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) ২ নম্বর বার্থে আসে। কনটেইনারটির নম্বর এমআরএসইউ-৮৬৯২৮২৭। চালানটি সাভারের গোল্ড স্টার গার্মেন্টসের নামে আমদানি করা হয়।

পণ্য খালাসের প্রক্রিয়ায় আমদানিকারকের পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এসআরএস সিন্ডিকেট গত ২২ আগস্ট কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। পরবর্তী সময়ে কাস্টমস ও বন্দরের নির্ধারিত সব ধরনের রাজস্ব ও চার্জ পরিশোধ করা হয়।

তবে গত ৩০ আগস্ট কনটেইনারটি খালাসের জন্য বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ডে গেলে সেটি নির্ধারিত স্থানে পাওয়া যায়নি। কনটেইনারটি ‘কিপ ডাউন’ ও ডেলিভারি দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানকে সেটি খুঁজে বের করতে বলা হয়।

এরপর ৩০ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে অনুসন্ধান চালিয়েও কনটেইনারটির সন্ধান মেলেনি। বিষয়টি বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও জানানো হয়।

কনটেইনারটির অবস্থান ও পণ্য উদ্ধারের বিষয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিতভাবে জানান এসআরএস সিন্ডিকেটের মালিক মো. হাফিজুর রহমান।

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, কনটেইনারে থাকা কাপড়ের রোলগুলো শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক তৈরির জন্য নির্ধারিত। চালানটি সময়মতো না পাওয়ায় গোল্ড স্টার গার্মেন্টসের রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, কনটেইনারটির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

কনটেইনারটি কীভাবে নির্ধারিত ইয়ার্ড থেকে নিখোঁজ হলো এবং এর পণ্য বর্তমানে কোথায় রয়েছে—তা তদন্ত শেষ হলে স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত