সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর পরিবারের রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এবার নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তাঁর বড় সন্তান এটিএম জাহেদ চৌধুরী। দীর্ঘদিন ধরে লোহাগাড়া ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংগঠনিক ও বিভিন্ন জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন।
এই ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতে লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এটিএম জাহেদ চৌধুরীকে দেখতে চান এমন প্রত্যাশার কথাও উঠেছে।
তাঁর সমর্থকদের মতে, এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তা, সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা তাঁকে স্থানীয় নেতৃত্বের জন্য সম্ভাবনাময় করে তুলেছে।
•পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার
এটিএম জাহেদ চৌধুরীর পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক তাঁর পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য। তাঁর বাবা মরহুম মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী ছিলেন সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সাবেক সংসদ সদস্য।
মরহুম মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর স্মরণে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএম জাহেদ চৌধুরী। এতে পারিবারিক স্মৃতি ও স্থানীয় সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে।
তাঁর ঘনিষ্ঠদের দাবি, এই পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যই লোহাগাড়ার রাজনীতিতে এটিএম জাহেদ চৌধুরীর পরিচিতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।
•সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় উপস্থিতি
লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি, বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজিত নানা রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে নিয়মিত সম্পৃক্ত রয়েছেন এটিএম জাহেদ চৌধুরী।
কোথাও তিনি কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন, আবার কোথাও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় লোহাগাড়া বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতেও প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মীসভা, মতবিনিময় সভা, সাংগঠনিক বৈঠক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও নিয়মিত অংশ নিয়েছেন এটিএম জাহেদ চৌধুরী। ২০২৩ সালে পুটিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন এবং চরম্বা ইউনিয়নের কর্মীসভাতেও উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন তিনি।
•তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা
স্থানীয় রাজনীতিতে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাহেদ চৌধুরী ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় করেছেন।
লোহাগাড়া সদর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একটি মতবিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন সভা, কর্মীসভা ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।
এসব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা আরও বিস্তৃত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়।
•রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি
২০২৩ সালের ২৮ জুলাই বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকার নয়াপল্টনে আয়োজিত কর্মসূচিতেও লোহাগাড়ার নেতাকর্মীদের সঙ্গে অংশ নেন জাহেদ চৌধুরী। ওই কর্মসূচির প্রস্তুতি ও পরবর্তী অংশগ্রহণেও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি দেখা যায়।
এ ছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতেও তিনি অংশ নিয়েছেন। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দলীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার একটি ধারাবাহিক চিত্র ফুটে ওঠে
•সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও উপস্থিতি
রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও জাহেদ চৌধুরীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে গরিব ও অসহায় মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণেও অংশ নিয়েছেন তিনি।
তাঁর সমর্থকদের মতে, এ ধরনের সামাজিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর জনসম্পৃক্ততা বাড়ছে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টিও প্রতিফলিত হচ্ছে।
•ধর্মীয় ও সম্প্রীতির অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ
লোহাগাড়ার সামাজিক বাস্তবতায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রেক্ষাপটে জাহেদ চৌধুরী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজারী, পূজা উদযাপন কমিটি ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় ও বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও তাঁর উপস্থিতি রয়েছে।
এ ছাড়া বৌদ্ধ ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে তিনি উপস্থিত ছিলেন। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে।
•খেলাধুলার পৃষ্ঠপোষকতায়ও সম্পৃক্ততা
তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা তৈরিতে খেলাধুলাকেও গুরুত্ব দিয়েছেন জাহেদ চৌধুরী। তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ফুটবল ও ক্রিকেটসহ নানা ক্রীড়া আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার চিত্র দেখা যায়।
লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
এসব আয়োজনে কখনো প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন, আবার কখনো বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেছেন।
২০২৫ সালের লোহাগাড়া উপজেলা কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টেও তাঁর উপস্থিতি ছিল।
রাজনীতির পাশাপাশি এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার একটি ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তাঁর অনুসারীরা।
•সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করার ওপর গুরুত্ব
ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় এবং ঐক্যবদ্ধভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় গুরুত্ব দিয়েছেন জাহেদ চৌধুরী।
লোহাগাড়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজনীতি পরিচালনা নিয়ে তিনি মতবিনিময় সভা করেছেন। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও নিয়মিত মতবিনিময় ও সাংগঠনিক যোগাযোগ বজায় রেখেছেন।
•বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ
জাহেদ চৌধুরীর কর্মকাণ্ড শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, ক্রীড়া আয়োজন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়েও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি দেখা গেছে।
কখনো রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে, কখনো সামাজিক অনুষ্ঠানে, আবার কখনো বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁকে অংশ নিতে দেখা গেছে। এসব কর্মকাণ্ডে তাঁর ধারাবাহিক উপস্থিতি স্থানীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও সাংগঠনিক পরিসরেও তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততার চিত্র তুলে ধরে।
•আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিতি
লোহাগাড়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমেও জাহেদ চৌধুরীর উপস্থিতি দেখা গেছে।
তিনি লোহাগাড়ার আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা ও প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও মতবিনিময় করেছেন।
এসব কর্মকাণ্ডে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার বিভিন্ন উদ্যোগে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়।
•নেতৃত্বের প্রত্যাশায় কেন জাহেদ চৌধুরীর নাম?
এটিএম জাহেদ চৌধুরীকে লোহাগাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাওয়ার পেছনে তাঁর সমর্থকদের প্রধান যুক্তি হলো- তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন এবং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাঁর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিক উপস্থিতি দেখা যায়। এর মধ্যে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সভা, কর্মীসভা, রাজনৈতিক সমাবেশ, সামাজিক অনুষ্ঠান, দোয়া মাহফিল, ঈদসামগ্রী বিতরণ, ধর্মীয় সম্প্রীতির কর্মসূচি, খেলাধুলার আয়োজন এবং বিভিন্ন মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য।
এসব কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে তাঁর অনুসারীদের একটি অংশ মনে করছেন, ভবিষ্যতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় তাঁকে আরও বড় পরিসরে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হলে তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়ন ও জনসম্পৃক্ততায় ভূমিকা রাখতে পারবেন।
•সামনে নতুন সম্ভাবনার আলোচনা
লোহাগাড়া একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। এখানকার মানুষের প্রত্যাশাও বহুমাত্রিক—উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান, তরুণদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা।
এমন বাস্তবতায় স্থানীয়ভাবে পরিচিত, সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তিকে স্থানীয় সরকারে দায়িত্বশীল ভূমিকায় দেখতে চাওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় আসে।
এটিএম জাহেদ চৌধুরীর ক্ষেত্রে তাঁর সমর্থকেরা বলছেন, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি নিজের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও তিনি আলাদা একটি পরিচিতি গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং ক্রীড়া ও ধর্মীয় সম্প্রীতির আয়োজনে উপস্থিতি তাঁর জনসম্পৃক্ততার দিকটি তুলে ধরে।
মরহুম মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর সন্তান হিসেবে এটিএম জাহেদ চৌধুরীর সামনে যেমন পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের বড় একটি পরিচয় রয়েছে, তেমনি নিজের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন মাত্রা যোগ করার সুযোগও রয়েছে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ধারাবাহিক উপস্থিতি থেকে অন্তত এটুকু স্পষ্ট যে, লোহাগাড়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
তাই আগামী দিনে লোহাগাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এটিএম জাহেদ চৌধুরীকে দেখতে চান এমন প্রত্যাশা এখন আলোচনায় আসতেই পারে। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁর প্রার্থিতা, দলীয় সিদ্ধান্ত এবং জনগণের ভোটই নির্ধারণ করবে স্থানীয় সরকারে তাঁর ভবিষ্যৎ ভূমিকা।
নেতৃত্বের প্রশ্নে এখন সময়ের অপেক্ষা। পারিবারিক ঐতিহ্য, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততার সমন্বয়ে এটিএম জাহেদ চৌধুরী লোহাগাড়ার রাজনীতিতে কতটা নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
ইতি/
