, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 27° সে. | 💧 আদ্রতা 94%

চট্টগ্রামে ২৫ বছরের বর্জ্য রাখতে প্রয়োজন ৪০০–৫০০ একর জমি

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম নগরে প্রতিদিন ৩ হাজারের বেশি টন বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। এর বড় একটি অংশ নালা-খাল ও খোলা জায়গায় পড়ে থাকায় জলাবদ্ধতা ও পরিবেশদূষণ বাড়ছে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) খসড়া মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী, আগামী ২০–২৫ বছরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নগরের জন্য প্রয়োজন হতে পারে ৪০০ থেকে ৫০০ একর জমি। তবে ঘনবসতিপূর্ণ নগরে এত বড় একক ল্যান্ডফিলের জন্য জমি পাওয়া কঠিন হওয়ায় বিকল্প হিসেবে হাইব্রিড বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

মাস্টার প্ল্যানে দক্ষিণ হালিশহর, উত্তর কাট্টলী, মোহরা, উত্তর পাহাড়তলী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় সম্ভাব্য ল্যান্ডফিল সাইট চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রস্তাবে ৮০–১০০ একর আয়তনের দুটি নিয়ন্ত্রিত ল্যান্ডফিলের পাশাপাশি রিসাইক্লিং, কম্পোস্টিং ও বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে।

পরিকল্পনার তথ্য অনুযায়ী, নগরের প্রায় ২৬ শতাংশ বর্জ্য নালা, খাল ও খোলা জায়গায় পড়ে থাকে। প্রতিদিন প্রায় ২২ টন কঠিন বর্জ্য ৫২টি খাল-নালা হয়ে কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু নতুন ল্যান্ডফিল তৈরি নয়, বর্জ্য সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়ানো, উৎস পর্যায়ে বর্জ্য পৃথকীকরণ, রিসাইক্লিং এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

সিডিএর নগর পরিকল্পনাবিদ আবু ঈসা আনসারীর মতে, পরিকল্পনার মূল চ্যালেঞ্জ হলো এর বাস্তবায়ন। এজন্য সিটি করপোরেশন, সিডিএ, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত