, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 28° সে. | 💧 আদ্রতা 89%

আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেল বিএসটিআই চট্টগ্রামের রসায়ন ল্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

খাদ্যপণ্যের মান ও নিরাপত্তা পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) চট্টগ্রামের রসায়ন ল্যাবরেটরি। বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ের বাইরে প্রথমবারের মতো কোনো ল্যাবরেটরি হিসেবে চট্টগ্রামের এ ল্যাব আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন সনদ পেয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের (বিএবি) মহাপরিচালক মোহা. আমিনুল ইসলাম বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হকের কাছে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ হস্তান্তর করেন।

চট্টগ্রাম রসায়ন ল্যাবরেটরিটি দেশীয় ও আমদানিকৃত খাদ্যপণ্যের নির্দিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ স্বীকৃতি পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভোজ্যতেলের ভিটামিন-এ ও রিফ্র্যাকটিভ ইনডেক্স এবং জুস ও সসজাতীয় পণ্যের ব্রিক্স প্যারামিটার পরীক্ষা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন পাওয়ার ফলে এসব পরীক্ষার ক্ষেত্রে ল্যাবটির মাননিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষণ সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের পরীক্ষার ফল আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা তৈরিতেও সহায়ক হতে পারে।

চট্টগ্রামে বিএসটিআইয়ের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে নতুন দশতলা ভবনে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে আধুনিক বিভিন্ন পরীক্ষণ যন্ত্রপাতি যুক্ত হওয়ায় খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের মান যাচাইয়ের সক্ষমতা বেড়েছে। সরকারি নথিতেও চট্টগ্রাম কার্যালয়ের নতুন ভবন ও আধুনিক পরীক্ষাগার স্থাপনের মাধ্যমে খাদ্যনিরাপত্তা ও পণ্যের মান পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

চট্টগ্রাম রসায়ন ল্যাবরেটরিতে বর্তমানে এএএস, এইচপিএলসি, জিসি-এমএসএমএস, আইসিপি-এমএস ও এলসি-এমএসের মতো আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি রয়েছে। পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য পরীক্ষার জন্যও ভিসকোমিটার, ফ্ল্যাশ পয়েন্ট টেস্টার, পোর পয়েন্ট টেস্টার ও ডেনসিটিমিটারের মতো সরঞ্জাম রয়েছে।

বিএসটিআই চট্টগ্রামের উপপরিচালক (অফিস প্রধান) মো. মোমেন উস সাজ্জাদ বলেন, নতুন পণ্য ও পরীক্ষণ প্যারামিটারকে কার্যক্রমের আওতায় আনার মাধ্যমে খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম ল্যাব আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ফলে আধুনিক ও মানসম্পন্ন পরীক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং নির্ধারিত মানদণ্ড নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ অর্জন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত