, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 29° সে. | 💧 আদ্রতা 81%

গ্যাস সরবরাহে বড় সংকট, তিতাসের আওতাধীন এলাকায় স্বল্পচাপের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এলএনজি (Liquefied Natural Gas) টার্মিনালগুলোতে কারিগরি ত্রুটির কারণে রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় তিতাস গ্যাসের আওতাধীন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর ফলে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প এবং সিএনজি খাতের গ্রাহকদের গ্যাসের স্বল্পচাপ ও সরবরাহ বিঘ্নের মুখে পড়তে হতে পারে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালগুলোতে সৃষ্ট কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে। ফলে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তিতাস গ্যাসের অধিভুক্ত এলাকায় গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে।

এতে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জসহ তিতাসের সেবা এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও অন্যান্য সব শ্রেণির গ্রাহকরা গ্যাস সংকটের প্রভাব অনুভব করতে পারেন। বিশেষ করে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁ, সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডেও বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

তিতাস গ্যাস জানিয়েছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় এই সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা সমস্যা সমাধানে কাজ করছেন এবং সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সাময়িক এ ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকদের ধৈর্য ও সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

ইতি/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত